YOU ARE HERE: Khola-Janala : Life Style

Home [X]


 

শীতের শুরুতে ঠান্ডার প্রকোপ

বাড়ির ছোট শিশুটি থেকে শুরু করে বৃদ্ধ মানুষটি পর্যন্ত ঠান্ডার হাত থেকে রক্ষা পান না। হাড়কাঁপানো শীত কিংবা কাঠফাটা রোদেও এই ঠান্ডা রেহাই দেয় না আমাদের। হাঁচি, কাশি, গলা ধরা ইত্যাদি খুবই কমন ব্যাপার। নাক দিয়ে পানি পড়া, ঘন ঘন হাঁচি দেয়া ইত্যাদি সবময়ই আমাদের কাছে কাছে ঘুরঘুর করে।

এ থেকে রক্ষা পেতে হলে কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলা উচিত। তবে তার আগে জানা দরকারকেন এই সমস্যার সৃষ্টি হয়। ইনফেকশন থেকে এই সর্দি-কাশি হতে পারে। বেশিরভাগ সময়েই সাইনাস, নাকের হাড় বৃদ্ধি, অ্যালার্জি ইত্যাদি থেকে সর্দি-কাশি হয়। সর্দি-কাশি লেগে যাওয়ার পর সেই ব্যক্তির কাছে গেলেও তা সংক্রমিত হতে পারে।
 

কলম, কম্পিউটার, টেবিল, কাপ ইত্যাদির ওপর ভাইরাস বসবাস করতে পারে। তাই এগুলো ব্যবহারে সাবধান। একজনেরটা আরেকজন ব্যবহার না করাই ভাল। রোগীর হাঁচি কাশি থেকেও তা ছড়াতে পারে।

ইনফেকশনের প্রথম কয়েকদিন এই ভাইরাস ছড়ায় খুব বেশি। কিন্তু তা থাকে প্রায় তিন সপ্তাহ পর্যন্ত। এর লক্ষণ সহজেই ধরা যায়। প্রথমদিকে নাক দিয়ে পানি পড়তে থাকে।

পরে ঘন হয়ে যায়। গলা খুশখুশ করে। গলা বসেও যেতে পারে। অনবরত হাঁচি-কাশি হয়। জ্বর হতে পারে। মাথা ধরে যায়। মাথা ব্যাথা করে। ভীষণ কান্তি লাগে।

হাত-পা ব্যাথা করতে পারে। ভীষণ কান্তি লাগে। হাত-পা, সারা শরীর ব্যাথা করে। খাবারে অরুচি হয়। তিন থেকে ১০ দিন ধরে এই লক্ষণ দেখা যায়।

প্রতিকার

এরকম ঠান্ডা থেকে রক্ষা পেতে হলে কিছু বেসিক নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়। সবসময় পরিস্কার থাকতে হবে। খাওয়ার সময় হাত ভাল করে ধুয়ে রাখতে হবে। রোগীর সামনে বেশিক্ষণ না থাকাই ভাল। যারা রোগীর সাথে থাকনে তাদের সতর্ক থাকা উচিত। সর্দি-কাশি হলে রুমাল ব্যবহার করা উচিত।

রোগীর সঙ্গে কোনও কিছু শেয়ার করা উচিত নয়। স্মোকারদের কাছ থেকে দূরে থাকা উচিত। অসুস্থ অবস্থায় স্মোক করা ঠিক নয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঠিক হয়ে যায়। ওষুধে খুব একটা কাজ দেয় না। তবে সাধারণ সিম্পটমে জন্যে সাময়িক রিলিফ নিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

এসময় খুব করে ফুইড ইনটেক বাড়ানো উচিত। কমপ্লিট বিশ্রাম। গার্গল খুব উপকারী। ভেপার নিলে উপকার পাওয়া যায়। পরিমাণ মতো ভিটামিন-সি খাওয়া জরুরি।

 

 

সাধারণত কমন কোল্ডের জন্যে নির্দিষ্ট কোনও ওষুধ নেই। অ্যান্টিবায়োটিক কোনও কাজ দেয় না। কিছু কিছু টোটকা এ ক্ষেত্রে বেশ উপকারী। একটু গুড় ও অল্প গোলমরিচ জলে মিশিয়ে গরম করে চায়ের মতো খেলে ভাল হয়। ১ গ্লাস পানিতে ২ টা লেবুর রস সঙ্গে একটু চিনি মিশিয়ে শোয়ার আগে খেতে হবে। কিছুটা ইউক্যালিপটাস অয়েল শোয়ার আগে কপাল, নাক, বুকে লাগিয়ে চাদর বা কম্বল জড়িয়ে শুলে সকালেই উপকার পাওয়া যাবে।

এ ক্ষেত্রে প্রচুর ঘাম হবে। লেবুর রস মধুর সঙ্গে মিশিয়ে সিরাপ তৈরি করে মাঝে মাঝে খাওয়া যেতে পারে। গরম জলের ভাপ নিলে উপকার পাওয়া যায়। ১ গ্লাস গরম দুধে ১ চামচ রসুন বেটে মিশিয়ে খেলে জমা সর্দি বেরিয়ে যাবে। এতে শ্বাস-প্রশ্বাসেরও সুবিধা হবে।

১ গ্লাস পানিতে পরিমাণ মতো দারুচিনি ফুটিয়ে তাতে একটু মধু ও একচিমটি গোলমরিচ মিশিয়ে খেতে হবে। এতে গলা ছাড়বে। ঠান্ডা বসে যেতে দেবেন না। এই সময় সব কিছুর সঙ্গে একটু জিরা খাওয়া উচিত। আদার রস মেশানো চা খেলেও উপকার পাওয়া যায়।

তুলসীপাতা চিবোলে কিংবা তুলসীপাতা জলে ফুটিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। পেঁয়াজ সর্দির ক্ষেত্রে উপকারী। স্যালাইন পানি ব্যবহার করা উচিত। বিশেষ করে স্যালাইন নোজ ড্রপ ব্যবহার জরুরি। বাচ্চাদের নাক মুছতে গিয়ে নাক ছড়ে গেলে পেট্রোলিয়াম জেলির ব্যবহার খুব উপকারী। গলা ব্যথা বা গলা ধরে গেলে কমপ্লিট ভয়েস রেস্ট করা উচিত।

হট ভেজিটেবল স্যুপ কিংবা কম মশলা দেওয়া স্টিমড ভেজিটেবল খাওয়া উচিত। স্মোক করা কিংবা স্মোকারদের আশেপাশে থাকা চলবে না। সহজ পচ্য নয় এমন খাবার যেমন চিজ, দই, দুধ মশলাযুক্ত খাবার, ভাজাভুজি মিষ্টি এড়িযে চলা উচিত।

খুব গরম গরম খাবার না খাওয়াই ভাল। ফ্রেস এয়ারে চলাফেরা করা উচিত। সঙ্গে পর্যাপ্ত বিশ্রাম। সব সময় খেয়াল রাখা উচিত যাতে নিজের সংক্রমিত ভাইরাস অন্যকে আক্রান্ত না করতে পারে। নিজের ব্যবহৃত জিনিস সব সময় আলাদা রাখতে হবে। রুমাল বা টিস্যু বারবার চেঞ্জ করে ব্যবহার করা উচিত।

অসুস্থ অবস্থায় শিশুদের কাছাকাছি যাওয়া উচিত নয়। বদ্ধ ঘরে থাকা চলবে না। বাড়িতে এসি থাকলে তা ব্যবহার করা উচিত। এতে আর্দ্রতা কন্ট্রোলে থাকে। এ ধরনের সমস্যায় খুব উপকারী। সর্দি-কশি হলে বাচ্চাদের স্কুলে পাঠানো অন্তত ২-৩ দিন বন্ধ রাখা উচিত।

.... আগে যা ছিল.

কাটিয়ে উঠুন বিষাদ
বাড়িতে ডাক্তার
হার্ট ভাল রাখতে ডায়েট
ব্যাথা ও প্রতিকার
শীতের শুরুতে ঠান্ডার প্রকোপ
বিব্রতকর পায়ের দুর্গন্ধ
ব্যায়ামে সুস্থ শরীর
বিব্রতকর পায়ের দুর্গন্ধ
কিশোরীর খাদ্য তালিকা
গরমে খাদ্যাভাস
জিম সেন্টারের ঠিকানা
 

 Under this category : Travel and Living : Life Style : Making Money on the NET

...

Articles are submitted to Here are licensed from various content sites
To report abuse, copyright ? issues, article removals, please contact [
webmaster@khola-janala.com]

Contact Khola-Janala