YOU ARE HERE: Khola-Janala : Life Style

Home [X]


 

বাড়িতে ডাক্তারি

 

বিপদ হঠাৎই আসে। হতে পারে অজস্র রকমের সমস্যা। প্রতিদিনের এই সমস্যা সমাধানে যাবতীয় নিয়ম, সেই সঙ্গে হাতের কাছে কোন কোন জিনিস রাখা দরকার তারই এক নির্দেশিকা। হাতের কাছে রাখলে ছোটখাট বিপদে-আপদের মোকাবেলা সহজেই সম্ভব।
 

মাথা ব্যথা

ফাস্ট এইড:
বিশ্রাম নিন। আলো এবং শব্দ থেকে দূরে থাকুন। বেদনানাশক কোনো মলম কপালে এবং কানের পিছনে লাগান। হালকা ম্যাসাজও নিতে পারেন। ঠান্ডা জলপট্টিতেও অনেক আরাম পাবেন।
 

চিকিৎসা : ১/২ চামচ আদার রস এবং ১/৪ চামচ মধু মিশিয়ে নিয়ে দিনে ২ বার দু’তিন দিন খেলে উপকার হবে। কৃষ্ণ তুলসী পাতার রস ১ থেকে ২ চামচ, ১০-১৫ ফোঁটা মধুসহ দিনে ২ বার তিন-চার দিন খাবেন। ধুতরার পাতা ৩-৪টা বেটে একটু গরম করে লাগালেও উপকার হয়। আকন্দপাতা ২-৩টা একটু গরম করে মাথায় সেঁক দিতে পারেন।

 

আধ কপালে
ফাস্ট এইড :
আলো এবং শব্দময় পরিবেশে থাকবেন না।

চিকিৎসা :
১/২ কাপ গরম দুধ ও ১/২ চামচ আলতা একত্রে মিশিয়ে গজপিস দিয়ে সেঁক দিলে খুব তাড়াতাড়ি উপকার হয়। লবঙ্গ ও দারুচিনি চূর্ণ সমপরিমাণ পানের রসে মিশিয়ে সামান্য গরম করে লাগাতে পারেন।

মাথায় চোট-আঘাত
ফাস্ট এইড :
বরফ সেঁক দিন অন্তত মিনিট পনেরো। রক্তপাত হলে জায়গাটা কিছুক্ষণ চেপে রেখে ব্যান্ডেজ করে রক্তপাত বন্ধের চেষ্টা করুন। রোগী অজ্ঞান হয়ে গেলে বা বমি করলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ডাক্তারকে দেখাবেন।

চিকিৎসা :
প্রথমেই বলে রাখি মাথায় কোনোরকম চোট বা আঘাত লাগামাত্র প্রথমেই বরফ টুকরো নিয়ে সেই জায়গায় লাগাতে হবে। কেননা, এই ধরনের রোগীর ক্ষেত্রে অবস্থা কতটা মারাত্মক তা বাইরে থেকে কখনোই বোঝা সম্ভব নয়।

মাথা ফেটে যাওয়া

ফাস্ট এইড :
পরিষ্কার কাপড়ের টুকরো ভাঁজ করে জায়গাটা চেপে ধরে রাখুন অন্তত মিনিট পনেরো। সম্ভব হলে টাইট করে ব্যান্ডেজ লাগান। ডাক্তার দেখান। সেলাইয়ের প্রয়োজন হতে পারে। এরকম  রোগীকে সবার আগে হাসপাতাল বা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া উচিত।

চিকিৎসা :
যদি প্রচন্ড রক্তপাত হয় সেক্ষেত্রে আয়াপান বেটে নিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে ব্যান্ডেজ বেঁধে দিলে রক্ত বন্ধ হবে। দুর্বাঘাস ভালভাবে ধুয়ে থেঁতো করে তার রস গজপিসে লাগিয়ে নিতে ব্যান্ডেজ বেঁধে দিলেও উপকার হয়।

মাথাধরা

ফাস্ট এইড :
সর্দি-কাশি বা ঠান্ডা লেগে মাথা ধরলে ফুটন্ত পানির বাম্প মিনিট দশেক ধরে দিলে ২ বার নাক-মুখ দিয়ে টানুন।

চিকিৎসা :
শুঁঠ-পিপুল-মরিচচূর্ণ সমপরিমাণে দিনে ২ বার খেলে উপকার হয়। কৃষ্ণ তুলসীর রস ১/২ কিংবা ১ চামচ দিনে ২ বার খেলেও উপকার পাবেন। ঘৃতকুমারীর শাঁস ১/৪ চামচ দুধসহ খেলেও ফল পাবেন।

.... আগে যা ছিল.

কাটিয়ে উঠুন বিষাদ
বাড়িতে ডাক্তার
হার্ট ভাল রাখতে ডায়েট
ব্যাথা ও প্রতিকার
শীতের শুরুতে ঠান্ডার প্রকোপ
বিব্রতকর পায়ের দুর্গন্ধ
ব্যায়ামে সুস্থ শরীর
বিব্রতকর পায়ের দুর্গন্ধ
কিশোরীর খাদ্য তালিকা
গরমে খাদ্যাভাস
জিম সেন্টারের ঠিকানা
 

 Under this category : Travel and Living : Life Style : Making Money on the NET

...

Articles are submitted to Here are licensed from various content sites
To report abuse, copyright ? issues, article removals, please contact [
webmaster@khola-janala.com]

Contact Khola-Janala