YOU ARE HERE: Khola-Janala : Life Style

Home [X]


স্মার্ট পেশা: সেলস এক্সিকিউটিভ

ব্যবসা পরিচালনার জন্য সেলস এক্সিকিউটিভ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ। এ পদে যারা কাজ করেন, তারা ভোক্তার সাথে বিক্রেতা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক-স্থাপন করেন।

তাদের মাধ্যমেই ক্রেতারা ভোগ্যপণ্যের সাথে পরিচিত হন। বর্তমানে তরুণ-তরুণী সকলেই স্বতঃস্ফুর্তভাবে এ পেশায় আসছেন। দেশের ছোট বড় কোম্পানি, জুয়েলারি, কসমেটিকস, ফ্যাশন হাউস, ওষুধ ডিপার্টমেন্টাল স্টোরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সেলস এক্সিকিউটিভরা মর্যাদার সাথে চাকরি করছেন।

লেখাপড়ার পাশাপাশি নিজেকে আত্মনির্ভরশীল করতেও শিক্ষিত তরুণ-তরুণীরা পার্টটাইম জব হিসেবে এ পদকে বেছে নিচ্ছেন।

 

মোসাদ্দেক হোসেন সেলস এক্সিকিউটিভ হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন আমি দীর্ঘদিন থেকে একটি বহুজাতিক জুতার কোম্পানিতে কাজ করছি। যার নাম অ্যাপেক্স গ্যালারি। সেখানে আমার দায়িত্ব ক্রেতাদের সাথে কথা বলা। তাদেরকে ম্যানেজ করা। এসব প্রতিষ্ঠানে আর্থিক সুবিধা ভালো।

অনায়াসেই ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা আয় করা যায়। এখানে বেতন ছাড়াও সেলসের ওপর আমরা কমিশন পেয়ে থাকি। এসব প্রতিষ্ঠানে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে লোক নিয়োগ করা হয়। নূন্যতম যোগ্যতা ডিগ্রি পাস। তবে এ পেশায় আসতে হলে তাকে অবশ্যই ক্রেতা ম্যানেজের ক্ষমতা অর্জন করতে হবে।

সেই সাথে তাকে হতে হবে স্মার্ট, বিনয়ী ও হাস্যোজ্জ্বল। নিজের চেষ্টায় আজ আমি এ পেশায় একজন সফল মানুষ। মামুনুর রহমান বললেন, আমি প্রায় আড়াই বছর থেকে পেপসি কোম্পানিতে চাকরি করছি। আমাকে সকাল ন’টা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত ডিউটি করতে হয়।

সেলস এক্সিকিউটিভ হিসেবে আমাকে ক্রেতাদের সাথে কথা বলা, অর্ডার নেয়া এবং মাল ঠিকভাবে পৌঁছালো কিনা তা তদারকি করতে হয়। আমি বিএ পাস করে ঢাকায় আসি। পত্রিকার বিজ্ঞাপন দেখেই দরখাস্ত করলে কোম্পানি আমাকে এ কাজের জন্য নিয়োগ দেয়।

এ প্রতিষ্ঠান থেকে আমি মাসে সব মিলে সাড়ে ৫ হাজার টাকা আয় করি। রবিউল ইসলাম বললেন, প্রায় ৪ বছর থেকে আমি মেডিসিনের দোকানে সেলসের চাকরি করছি। ফুলটাইম দায়িত্ব পালন করে মাসে আমি সাড়ে ৬ হাজার টাকা আয় করি। আমি আগামী বছর প্রাইভেটে ডিগ্রি পরীক্ষা দিব।

অন্য প্রতিষ্ঠানের চেয়ে আমি মেডিসিনের দোকানে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। ফেরদৌসী রহমান বললেন, একটি ইলেকট্রিক কোম্পানির শো-রুমে ৩ বছর থেকে আমি সেলস এক্সিকিউটিভ হিসেবে কাজ করছি। পাশাপাশি আমাকে একাউন্টসের কাজও করতে হয়।

কাস্টমার ম্যানেজ করাই আমার মূল দায়িত্ব। এসব প্রতিষ্ঠানে মেয়েরা চাকরি করলে অনেক সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকে। কোম্পানির লোকজন আমাকে ও অন্য মেয়েদের খুবই সম্মান করে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে আমি মাসে ৮ হাজার টাকা স্যালারি ড্র করি।

আমি এমএ শেষ করে পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ চাকরিটা পেয়েছি। সাইদা আকতার বললেন, একটি কসমেটিকসের দোকানে আমি ৮ মাস থেকে পার্টটাইম চাকরি করছি। সপ্তাহে ৩ দিন সেখানে কাজ করি। ওই প্রতিষ্ঠান আমাকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা স্যালারি পে করে। এতে আমার নিজের হাত খরচ চলে যায়।

আমি অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্রী। শিক্ষার্থীদের পার্টটাইম জব করতে হলে এসব প্রতিষ্ঠানেই করা ভালো। এখানে অনেক সুবিধা ভোগ করা যায়।

.... আগে যা ছিল.

টেলিকমিউনিকেশন
অ্যানিমিশনে ক্যারিয়ার
ইন্টারভিউ-এর মুখোমুখি
নিজেকে শুনুন রেডিওতে
ঘরে বসেই উপার্জন
পেশার নাম পর্যটন গাইড
ক্যরিয়ার গড়ুন কল সেন্টারে
নিজেই করুন ক্যারিয়ার প্লানিং
আদর্শ পেশার নাম শিক্ষকতা
দৃষ্টি নন্দন পেশা ব্যাংকিং
স্মার্ট পেশা সেলস এক্সিকিউটিভ
 

 Under this category : Travel and Living : Life Style : Making Money on the NET

...

Articles are submitted to Here are licensed from various content sites
To report abuse, copyright ? issues, article removals, please contact [
webmaster@khola-janala.com]

Contact Khola-Janala