পাথর নিবার্চন


পাথর নির্বাচনের পদ্ধতি রয়েছে বিভিন্ন। দেশে-দেশেও এর তারতম্য হতে পারে। তাছাড়া, রোগ নিরাময়ে অথবা রোগ প্রতিরোধেও পাথরের ব্যবহার চলে আসছে সুদূর অতীত থেকে। এটাকে বলা হচ্ছে জেম-থেরাপি। যেমন ধরুন, ডায়াবেটিস রোগীদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে ডায়ামণ্ড (হীরা) ১ থেকে ৩ ক্যারেট এবং মুনস্টোন ৭ থেকে ১০ ক্যারেট একসঙ্গে ব্যবহার করতে।

জেরিল কিন- এর পাথর নির্বাচন
পাশ্চাত্যের জ্যোতিষশাস্ত্রবিদ ও বিখ্যাত পাথর বিশেষজ্ঞ জেরিল কিন রাশির ভিত্তিতে পাথর নির্বাচনের একটি ফর্মুলা উপস্খাপন করেছেন। এটি তাঁর দীর্ঘ গবেষণা ও অভিজ্ঞতার ফসল।

প্রতি রাশির প্রতি জাতক-জাতিকাকে জেরিল কিন মাত্র একটি পাথর পরতে নির্দেশ করেছেন। একান্ত প্রয়োজনে হয়তো দ্বিতীয় একটি পাথর নেওয়া যেতে পারে।

এক-একটি রাশির মানুষের জন্য পাথর নির্বাচনে জেরিল কিনের বিবেচনাগুলো কী কী ছিল- তা অন্তত আমার জানা নেই।

কোন জাতক বা জাতিকার জন্য কোন পাথরটি বা পাথরগুলো উপযোগী- সেটা একটা বিষয়। অন্য বিষয়টি হল- ওই পাথর কতো ওজনের হতে হবে। এটা এক-এক ক্ষেত্রে এক-এক রকম হতে পারে। ওজন নির্ধারণ করবেন জ্যোতিষী মহোদয় নিজে। এটা তাঁর বিবেচ্য বিষয়।

তবে, আকিক, নামে যে পাথরটি রয়েছে- সেটি সবক্ষেত্রেই আট (৮) ক্যারেট ওজনের হওয়া বাঞ্ছনীয়। ৮ ক্যারেটের আকিক একান্তই না পাওয়া গেলে ৭ অথবা ৯ ক্যারেটের হতে হবে। এই বিষয়টি অনেক জ্যোতিষীরই জানা নেই।

আমার মতে
পাথর ব্যবহারের বেলায় অসাধু এবং জ্যোতিষশাস্ত্র সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞানহীন অথবা সৌখিন জ্যোতিষীদের বিষয়ে সাবধান থাকা উচিত। অমুক পাথর পারলে টাকাপয়সা হয়, তমুক পাথর পরলেই শত্রুনাশ হয়- ইত্যাদি ধারণা নিছক কুসংস্কার। পাথর পরলেই যদি এসব হয়ে যেত- তাহলে তো আর কথাই ছিল না।

কাজেই মনে রাখবেন, খাঁটি এবং শান্ত্রমতে উপযুক্ত ওজনের উপযুক্ত পাথর পরলে তা স্বাস্খ্যের মাধ্যমে আপনার উপকার সাধন করতে পারে। আর একটি কথা, আমি মনে করি ১০ আঙ্গুলে ২০টি পাথর পরার বাতিক থাকা উচিত নয়। সুনির্বাচিত ১টি অথবা ২টি- মাত্র পাথর ব্যবহার করাই যথেষ্ট।

শ্রম ও কর্ম দিয়ে সৌভাগ্য আসুক। পাথর হোক তার সহায়ক। শুভ হোক আপনার।