পাথর কী ?


পাথরের গঠন, রূপ, প্রকৃতি, ইত্যাদি বুঝতে হলে আমাদের যেতে হবে জিওলজি বা ভূ-তত্ত্বে। এই বিদ্যাটি সম্পৃক্ত সামগ্রিকভাবে ভূ-লত/ভূ-পৃষ্ঠের জন্ম/মূল, গঠন, রূপ, রং, ইত্যাদির সঙ্গে। এই বিজ্ঞানিক ও তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ আমাদের সাধারণ আগ্রহী ব্যক্তিদের পক্ষে বুঝতে পারা খুবই জটিল। তবে, এটুকু জানলেই হয়তো যথেষ্ট যে, পৃথিবীর জন্মের পর থেকেই পৃথিবীর ওপরে, নিচে ও সমুদ্রের তলায় পাথর সৃষ্টি হতে শুরু করেছে, যেমন সৃষ্টি হয়েছে লোহা, তামা, ইত্যাদি অন্যসব খনিজ পদার্থ। এই খনিজ পদার্থের অনেকগুলোই জ্যোতিষশাস্ত্রের আলোকে ব্যবহার করা হয়।

পাথরসহ সকল খনিজ পদার্থই হচ্ছে রাসায়নিক দ্রব্য। এগুলো কোন্-কোন্ রাসায়নিক পদার্থের মিশ্রণ- তা জানতে হলে গবেষণাগারের বিশ্লেষণ পদ্ধতির সাহায্য নিতে হবে। এইখানে একটা অত্যন্ত জরুরি তথ্য হচ্ছে এই যে, একটা পাথর খাঁটি না সকল- তা খালিচোখে দেখে বুঝে ফেলা প্রায় অসম্ভবই বলা চলে। খাঁটি পাথর চিনতে হলে ল্যাবরেটরিতে রাসায়নিক পরীক্ষা (কেমিক্যাল টেস্ট) ছাড়া কোনো উপায় নেই।

বাংলাদেশে দুই বারে দুটি জেম টেস্টিং ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং পাথার-পরীক্ষা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ার কারণে দুটি ল্যাব-ই উঠে যায়। ভারতের কোলকাতাসহ আরো কিছু শহরে পাথর-পরীক্ষার সুবিধা রয়েছে। অন্যান্য উন্নত দেশেও নিশ্চয়ই আছে।

আমার এক ক্লায়েন্ট জানাচ্ছেন- ঢাকার বনানী- গুলশান অঞ্চলে একিট জেম টেস্টিং ল্যাব-এর অস্তিত্ব রয়েছে, যেখানে নাকি পাথর পরীক্ষার পাশাপাশি পাথর বিক্রি করাও হয়।